Sat. Jul 24th, 2021

NGO “কর্মীদের” ভালবাসতে শিখুন।

NGO”এবং NGO “কর্মীদের” ভালবাসতে শিখুন।। মনে রাখবেন অর্থ লগ্নি কারী প্রতিষ্ঠান হলো আপনার অসময়ের বন্ধু।। বাঙ্গালী আজ শিখেছে একটি শব্দ “লকডাউন”পৃথিবীতে এমন মহামারী আগেও আসছিলো এখনো আছে এবং ভবিষ্যতে আরও আসতে পারে।তারা সবসময় আপনার সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেয়। ভাবুনতো ১।মহাজনি উচ্চ সুদে টাকা নিয়েছেন সেই সুদের টাকা আর শেষ হয়না। আসল টাকাই বাকী থাকে। জমিজমা বিক্রি করে শেষ করছেন এখন শুধু বাড়ির ভিটেমাটি সম্বল। এখন কি করবেন ভেবে পাচ্ছেননা।ঠিক সেই সময়ে আপনার পাশে দাঁড়িয়েছে NGO কর্মী যাকে আপনারা কিস্তওয়ালা বলেন।২। ভাবছেন ব্যবসা বড় করবেন ঘর আছে পুঁজি কম। কিছু টাকা হলে অচল ব্যবসা সচল হবে।কিছু  লেয়ার মুরগী উঠাতে পারলে ডিম বিক্রি করে কিস্তিতে ঋণের টাকা পরিশোধ করতে পারবেন। ঠিক তখনই সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেয় কে?কিস্তির স্যার।৩। আপনি ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ব্যাংকে গেছেন ঋণের জন্য, এই কাগজ সেই কাগজ এটা-ওটা শেষে কিছু টাকাও দিলেন পায়ের জুতো জোড়াও ক্ষয়ে। হতাশ হয়ে বাড়িতে আসলেন ঐ সময়ে মনে পড়লো কিস্তির ভাই এ-র কথা। সহজ শর্তে অল্প সময়ে পেয়েও গেলেন। কিস্তির সময় আসলো ভুলে গেলেন উপকারের প্রতিদান। ৪। বাড়ি করছেন কিছু কাজ বাকি। অল্প টাকা হলেই স্বপ্নের বাড়িতে ঘুমাতে পারবেন। ঠিক এ-ই সময়ে পাশে ছিলো কে?আত্মীয় স্বজনরা না-কিস্তিওয়ালা।৫। ছেলে বিদেশে পাঠাবেন দালাল কে টাকা দিয়েছেন ভিসাও হয়েছে। কারোর কাছে সহযোগিতা পেলেননা। এদিকে ভিসার মেয়াদ প্রায় শেষ। আকাশ ভেঙে মাথায় পড়লো স্বপ্নের বিদেশ বুঝি শেষ। ঠিক তখন পাশে দাঁড়িয়েছে এই সেই NGO। ৬। মেয়ের বিয়ে দেবেন অনেক খরচ জামাইকে দিতে ব্যবসার জন্য টাকা, এদিকে অনুষ্ঠানে আপ্যায়ন বাবদ বাজার করতে হবে। ধান বিক্রি করলে বছর পার হবে না।ব্যবসা হতে টাকা খরচ করলে মূলধন শেষ হয়েগেলে ব্যবসার ক্ষতি হবে। কি করি ভেবে পাচ্ছেন না।তখন আপনার পাশে কে দাড়িয়ে ছিলো – এই কিস্তি ওয়ালা। ৭। ঈদ, পূজা, বৈশাখ আসলেই কদর বেড়ে যায় এই সমস্ত প্রতিষ্ঠান এর তারপর কি হয় ভাই? আজ ভুলে গেলেন স্বার্থপরের মতো।বাড়িতে কিস্তির জন্য গেলে কেউ জিজ্ঞেস করলে বলেন কিস্তির বেটা।বাংলাদেশের সরকারি চাকরির পড়েই হইলো এই এনজিও এর চাকরি। আমার আপনার ছেলে মেয়ে ভাই বোন আত্মীয়স্বজন প্রতিবেশী অনেকেই বেকরত্বের অভিশাপ থেকে মুক্তি পেয়েছে এই এনজিওর জন্য। তা-না হলে আজ অনেক ছেলে মেয়ে বেকার হয়ে ভব-গুরের মতো ঘুরে বেড়াতো। আসুন বাংলাদেশের NGO এবং কর্মীদের মূল্যায়ন করি।তাঁরাও এইদেশের উচ্চ শিক্ষিত মানুষ।বাংলাদেশের সর্বোচ্চ ডিগ্রি নিয়ে এখানে চাকরি করছে। জীবন এবং জীবিকার তাগিদে আজকে এনজিও তে কাজ করছে। সুস্থ হয়ে ওঠো পৃথিবীসুন্দর হোক আগামী দিনের পথ চলাভালো থাকো বাংলাদেশভালো থাকো দেশের জনগণ।।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

উপদেষ্টা মন্ডলীঃমোঃ দেলোয়ার হোসেন খাঁন(হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ট্রাস্ট অব বাংলাদেশ,প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান)
ডঃ দিলিপ কুমার দাস চৌঃ ( অ্যাডভোকেট,সুপ্রিম কোর্ট ঢাকা)
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতিঃ অ্যাডভোকেট সাজ্জাদুর রহমান চৌধুরী ।।আইন সম্পাদকঃ অ্যাডভোকেট আবু সালেহ চৌধুরী।।
সম্পাদক ও প্রকাশক: মো: আজির উদ্দিন (সেলিম)
নির্বাহী সম্পাদক: দিলুয়ার হোসেন।। ব্যবস্থাপনা সম্পাদক: মোছাঃ হেপি বেগম ।I বার্তা সম্পাদক: মোঃ ছাদিকুর রহমান (তানভীর)
প্রধান কার্যালয় ২/২৫, ইস্টার্ণ প্লাজা,৩য়-তলা ,আম্বরখানা সিলেট-৩১০০।
+8801712-783194 dailyhumanrightsnews24@gmail.com