Wed. Jun 23rd, 2021

চাদরে ঢাকা ইতির লাশ, আত্মহত্যা নিয়ে প্রশ্ন

নিজস্ব প্রতিবেদক:
রাজধানীর মিরপুর মডেল থানাধীন
কল্যাণপুর এলাকার ‘এফ’ ব্লকের ৩ নম্বর
রোডের ১৭ নম্বর বাড়ির একটি ফ্ল্যাট
থেকে ৬ অক্টোবর ভোরে ফারজানা
আক্তার ইতি (২০) নামের এক
অভ্যর্থনাকর্মীর লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।
ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন অনুযায়ী ইতির
আত্মহত্যার কথা জানিয়েছে পুলিশ। তবে
পরিবার ও স্বজনদের দাবি, আত্মহত্যা নয়,
ইতিকে হত্যা করেন তার স্বামী শফিকুল
ইসলাম সবুজ।
ইতির বাড়ি ঝালকাঠি জেলার রাজাপুর
এলাকায়। তিনি কল্যাণপুরের ওই বাড়িতে
স্বামী সবুজের সঙ্গে ভাড়া থাকতেন।
ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের
(ডিএনসিসি) আরবান প্রাইমারি হেলথ
কেয়ারে অভ্যর্থনাকর্মী হিসেবে কাজ
করতেন ইতি। আর তার স্বামী সবুজ ছিলেন
আবুল খায়ের গ্রুপের বিক্রয় প্রতিনিধি।
ইতিকে হত্যা করা হয়েছে বলে স্বজনরা
যে দাবি করেছেন, তা যাচাই করতে
প্রিয়.কমের প্রতিবেদক যান কল্যাণপুরের
ফ্ল্যাটটিতে। সেখানে গিয়ে কথা হয়
ইতির বাবা, ভাই, বোন, ওই বাসার
তত্ত্বাবধায়ক, তার স্ত্রী ও অন্য কক্ষের
বাসিন্দাদের সঙ্গে।

বাসায় ঢোকার পর শুরুতে আলাপ হয় ইতির
পাশের কক্ষের বাসিন্দা মাহবুবা আক্তার
লাকীর সঙ্গে। লাকীর স্বামী সৌদি
আরবে থাকেন। ভাড়া করা ফ্ল্যাটটিতে
তিনি দুই সন্তানসহ থাকেন। তার বাসাতেই
স্বামীসহ সাবলেটে থাকতেন ইতি।

লাকীর ভাষ্য, ইতি গলায় ওড়না জড়িয়ে
আত্মহত্যা করেছেন। স্বামী সবুজের
আহাজারি শুনে তাদের কক্ষে যান তিনি।
গিয়ে দেখেন, ইতির লাশ জানালায়
ঝুলছে। এরপর তিনি বটি দিয়ে ওড়না কেটে
দেন। পরে স্বামী সবুজ ইতির লাশ খাটের
ওপর রেখে চাদর দিয়ে ঢেকে দেন।

ঘটনার বর্ণনা দিয়ে লাকী
বলেন, ‘তখন আনুমানিক ভোর ৫টা ১০
বাজে। আমি তখন ঘুমে। এমন সময়ে সে
(ইতির স্বামী সবুজ) বলে, ‘‘আন্টি গো, মনু
গলায় ফাঁস দিছে, হায় হায় রে মনু, তুই এটা
কী করলি।’’এটা শুনে আমি দৌড়ে আইসা
দেখি, সে (সবুজ) বটিও আনছে রান্নাঘর
থেকে। সে আমাকে বলে, ‘‘আসেন, আসেন,
দেখি জ্ঞান আছে নাকি।’’ এরপর সে
ইতিকে আলগাইয়া ধরল। আমি তখন ওড়নাটা
কেটে দিলাম। আমি তার শরীরে হাত দেই
নাই। শুধু ওড়নাটা কেটে দিছি।’
ওই সময় ইতির পা ঘরের মেঝেতে স্পর্শ করে
ছিল কি না জানতে চাইলে ওই নারী
বলেন, ‘না, পা মাটিতে ছিল না; পা উপর
দিকে ধরে ছিল শফিকুল।’

কেউ গলায় দড়ি বা ওড়না জড়িয়ে
আত্মহত্যা করলে তার পা মেঝে বা মাটি
থেকে উপরের দিকে ঝুলে থাকে। ইতির
ক্ষেত্রেও একই ঘটনা ঘটার কথা। কিন্তু
লাকীর বর্ণনা অনুযায়ী, ইতির স্বামী তার
পা কোলে নিয়ে উপরের দিকে ধরে ছিল।
লাকী জানান, ৫ অক্টোবর দিনে ইতিকে
স্বাভাবিক দেখেছিলেন তিনি। তার
সঙ্গে স্বামীর কোনো ঝগড়া ছিল বলেও
মনে হয়নি।

ওই নারী বলেন, ‘মেয়েটা ওই দিন
বিকেলেও আমার সাথে কথা বলছিল।
জিজ্ঞাসা করছিল, ‘‘কী করেন, কেমন
আছেন’’ এইসব। ওদের মধ্যে আমি
কোনোদিন তেমন ঝগড়া-বিবাদ দেখি
নাই। গত মার্চের ১ তারিখে আমি তাদের
ছয় হাজার টাকায় আমার ফ্ল্যাটের এই
রুমটা ভাড়া দেই। আমার বাসায় ৩টা বেড
রুম; আমি আমার দুই ছেলে থাকি। আরেক রুম
ভাড়া দিছি। আমার স্বামী সৌদি আরবে
থাকেন।

ইতির সঙ্গে তার স্বামীর ইতোপূর্বে
কখনো ঝগড়া হয়েছে কি না জানতে
চাইলে লাকী বলেন, ‘তাদের এমন কিছুই
আমি কোনোদিন দেখি নাই। তারা
কোনোদিনই ঝগড়া-বিবাদ করত না।
টুকটাক ঝগড়া স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে হতেই
পারে। সে রকম হতো। আমি এসব তেমন
নজরে নেই নাই।’

ঘটনার দিন দুজনের মধ্যে কোনো সমস্যা
হয়েছিল কি না জানতে চাইলে লাকী
বলেন, ‘না না বাবা, ওই দিন কিছুই হয় নাই।
মেয়েটা সারাদিন ঘরের অনেক কাজ
করেছে। ঘরের ঘটি-বাটি সবকিছু ধুয়ে-মুছে
রাখছে। খাটের এই তক্তাগুলো পর্যন্ত
ধুইছে। ওরা ওই দিন ৪টার সময়ে খেয়ে-
দেয়ে রুমে ঢুকছে, আর বের হয় নাই।’
তখন তাকে (লাকী) বলা হয়, ‘ইতির
পরিবারের দাবি, আপনি ঘটনার দিনে
সবাইকে বলেছিলেন যে, তারা স্বামী-
স্ত্রী রাত ৩টা পর্যন্ত ঝগড়া করছে। একই
কথা ইতির স্বামীও পুলিশের কাছে
বলেছে যে, তারা স্বামী-স্ত্রী মিলে রাত
৩টা পর্যন্ত ঝগড়া-বিবাদ করেছে।’
উত্তরে লাকী বলেন, ‘না না, আমি ওই দিন
তাদের কোনো ঝগড়ার শব্দ শুনি নাই। আমি
ওই দিন রাত সাড়ে ১১টায় ঘুমাইয়া
গেছিলাম। পরে ভোররাতে যখন শফিকুল
আমাকে ডাকাডাকি করেছে, তখন আমি
টের পাইছি।’

ইতির লাশের পাশে বসে ‘কোরআন
পড়ছিলেন’ স্বামী
সেদিনের ঘটনার বর্ণনা দিয়ে ইতির
খালাতো বোন আফসানা তানজিলা
প্রিয়.কমকে বলেন, ‘ভোর সাড়ে ৫টার
দিকে আমরা ফোনে ইতির আত্মহত্যার খবর
পেয়ে দ্রুত ওই বাসায় চলে যাই। ওই বাসায়
যখন আমি পৌঁছেছি তখন সকাল ৬টা ১৫
মিনিট। ঘরে ঢুকে দেখি, সবাই
কান্নাকাটি করছে। ইতির লাশ খাটের
ওপর চাদর দিয়ে ঢাকা ছিল। আর লাশের
পাশে বসে কোরআন শরিফ তেলাওয়াত
করছিলেন ইতির স্বামী শফিকুল। এরপর
সকাল ৭টার দিকে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে
লাশের সুরতহাল তৈরি করে। আমাদের
অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ শফিকুলকে
আটক করে থানায় নিয়ে যায়।’
ইতির লাশের কিছু ছবি এই প্রতিবেদককে
দেন তার স্বজনরা। এসব ছবিতে তার
শরীরে বেশ কিছু ক্ষত দেখা যায়।

ইতির কয়েকজন স্বজন জানান, তার লাশ
খাটের ওপর রেখে আত্মীয়-স্বজনদের খবর
দেন স্বামী শফিকুল। এরপর তিনি নিজেই
মিরপুর মডেল থানায় ফোন করে জানান
যে, তার স্ত্রী আত্মহত্যা করেছেন। থানায়
নিজে থেকে ফোন দেওয়ার কারণ
হিসেবে শফিকুল ওই সময় উপস্থিত
ব্যক্তিদের জানিয়েছিলেন, ইতির বাবা-
ভাই তাকে মারধর করতে পারে। সে জন্য
ভয় পেয়ে নিজেই থানায় ফোন
করেছিলেন।
ইতির স্বামী শফিকুল ইসলাম সবুজ। ছবি:
সংগৃহীত
বারবার ‘পালানোর চেষ্টা করছিলেন’
ইতির স্বামী
ওই বাড়ির তত্ত্বাবধায়ক ফজলু বলেন,
‘ইতির স্বামী শফিকুল ভোর সাড়ে ৪টার
দিকে উপর থেকে নিচে নেমে আসে।

আইসা বলতেছে, ‘‘ভাই, বাসার সামনে
একটা গাড়ি আইছে। আমি বললাম, এত
রাতে কিসের গাড়ি?’’ তখন সে বলে, ‘‘ভাই,
অ্যাম্বুলেন্স। আমারে একটু বাইরে যাইতে
দেন। আমার বউ অসুস্থ।’’ কিন্তু তার
কথাবার্তা সন্দেহ হওয়াতে আমি তারে
বাইরে যাইতে দেই নাই। সে বারবার
বাইরে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছিল।’
ফজলুর স্ত্রী বলেন, ‘আমি কথাটা শোনার
সাথে সাথে দোতলাতে গেছি। যাইয়া
দেখি কী, যে তাকে (ইতিকে) শোয়ায়ে
রাখছে খাটের উপরে। এরপর আমি নিচে
নেমে আসছি। আমাদের বাসার অনেকে
ফজরের নামাজ পড়তে যায়। তারা নামাজ
পড়ে আসার পরে ৫টার দিকে আমি চার-
পাঁচ জন ভাড়াটিয়া নিয়ে তাদের বাসায়
আবারও গেছি, যাইয়া দেখি মারা গেছে।’
‘তখন ইতির স্বামী বারবার দৌড়ায়া
আইসা আমাকে বলে, ‘‘গেটের এই তালাটা
খোলেন। আমার আম্বুলেন্স আসছে।’’ আমি
তাকে বলি, ‘‘আপনি আম্বুলেন্স দিয়ে কি
করবেন? আপনার বউ তো মারা গেছে’’।’

ঘটনার বর্ণনা দিয়ে তত্ত্বাবধায়ক ফজলুর
স্ত্রী আরও বলেন, ‘এরপর আমি বলি, আপনি
দাঁড়ান, আমি গিয়ে দেখি অ্যাম্বুলেন্স
আসছে কি না। আমি বাসা থেকে বের হয়ে
১১ নাম্বার রোড থেকে ৫ নাম্বার রোডের
মাথা পর্যন্ত গেছি। কিন্তু কোনো
অ্যাম্বুলেন্স দেখি নাই। তখন আমি আবার
দৌড়ে বাসায় এসে বলি, নিচে কিন্তু
কোনো অ্যাম্বুলেন্স নাই, সব মিথ্যা কথা।
গেটের তালা খোলার দরকার নাই। এই
লোক কিন্তু পালাইয়া যাইবে।’

‘এরপর ওই লোক (ইতির স্বামী শফিকুল)
কয়েক বার নিচে গেটের সামনে নামছে।
কিন্তু আমরা তালা খুলি নাই। যখন শুনছি
তার স্ত্রী মারা গেছে, তখন আমি তাকে
কীভাবে বের হতে দেই? পুলিশ আসার আগে
পর্যন্ত আমি গেটের তালা খুলি নাই।’
ইতির বাবা শাজাহান হাওলাদার
প্রিয়.কমকে বলেন, ‘২০১৫ সালে
পারিবারিকভাবেই ইতির বিয়ে দেওয়া
হয়েছিল। এখন প্রায় সাড়ে তিন বছর হবে।
বিয়ের সময়ে যৌতুক বা কোনো টাকা-
পয়সা দেবার কোনো কথা ছিল না। আমার
মেয়ে বিয়ের আগে থেকেই ঢাকায় চাকরি
করত। বিয়ের পরে তার চাকরির টাকা
দিয়ে সে সংসার চালাত। আবার জামাইও
(জামাতা) চাকরি করত। কিন্তু সে
(জামাতা) তেমন কোনো খরচ দিত না।
তবে আমার জামাইয়ের মা (ইতির শাশুড়ি)
বিয়ের পর যৌতুক হিসেবে ঘরের বিভিন্ন
ধরনের ফার্নিচার চাইত। বলত, ‘‘আমার
পোলারে আমি এত বড় পাস করাইছি’’।’
‘তখন আমি মেয়েরে বললাম। মেয়ে বলল,
‘আব্বা, আমি যে চাকরি করি, সেই টাকা
দিয়ে আমি ঘরের সব ফার্নিচার কিনব।
এরপর আমার মেয়ে ঘরের খাট, পালঙ্ক-
সবকিছু কিনছে। কিন্তু একটা জিনিস,
আমার মেয়ে বাজারটা একটু অল্প অল্প
করত। এই নিয়ে আমার জামাইয়ের মনে
নাকি কষ্ট ছিল। কী আর বলব, স্যার। আমার
মেয়েরে এখনো তারা ঘরে তুলে নেয় নাই।’
‘মামলার এজাহারে আপত্তি
জানাইছিলাম’
ইতির বড় ভাই আহসান হাবিব শানু বলেন,
‘মামলার এজাহারে আত্ম্যহত্যায়
প্ররোচনা দেবার ধারা দেওয়া আছে।
কিন্তু আমার বোনকে তো হত্যা করা
হয়েছে। তাই আমি মামলার এজাহার লেখা
দেখে আপত্তি জানাইছিলাম। বলেছিলাম,
এটা তো আত্মহত্যা না, আমার বোনকে
হত্যা করা হয়েছে। কিন্তু পুলিশ বলছে, এটা
এখন থাকুক। এটা পরে অন্য মামলা দেওয়া
যাবে।’

ঘটনার দিনের বর্ণনা দিয়ে তিনি বলেন,
‘আমার এক ফুফাত ভাইয়ের ফোনে আমি
খবর পেয়ে ৬টা ১০ মিনিটে ইতির বাসায়
আসছি। সাড়ে ৫টায় আমার ফুফাত ভাই
আমাকে ফোনে জানায় যে, ইতি অসুস্থ।
সবুজ জানাইছে তাকে। আমি আসার পরে
দেখি যে, লাশ শোয়াইয়া রাখছে, কিন্ত
লাশটা শক্ত হয়ে আছে।’

‘তখন সবুজ বলতেছিল যে, রাত ৩টা পর্যন্ত
আমাদের একটু ঝগড়া-বিবাদ হইছে। এরপর
আমি একটু ঘুমাইছিলাম। হঠাৎ ৫টার দিকে
জেগেছি, তখন দেখি যে, ইতি ওখানে
ঝুলানো। ৩টা থেকে ৫টার মাঝামাঝি
যেকোনো সময় গলায় ফাঁস দিছে। আমি
পুলিশের কাছে এটা বলেছি যে, মারা
যাবার ২ ঘণ্টার মধ্যে কারো লাশ এত শক্ত
হয় নাকি? আমি বলেছি, সে অনেক আগে
মারা গেছে। এরপর পুলিশ ইতির শরীরের
অনেক জায়গা চেক করেছে, ছবি তুলেছে,
তার শরীরের অনেক জায়গায় মারধরের
দাগ ছিল।’

ইতির ছোট ভাই সৈকত প্রিয়.কমকে বলে,
‘আমার বোনকে হত্যাই করা হয়েছে। সে
কোনোভাবেই গলায় ফাঁস দিতে পারে না।
তাকে মেরে ফেলে আত্মহত্যার নাটক করা
হয়েছে। কারণ যে জানালার সাথে ঝুলে
আমার বোন মারা গেছে বলা হচ্ছে, সেই
জানালায় তো একটা ছোট বাচ্চাকেও
ঝোলানো সম্ভব নয়। আমার বোনের সারা
শরীরের মারধরের অনেক দাগ আছে। আর
শফিকুলের (ইতির স্বামী) দুই হাতের
কবজির নিচেও অনেক দাগ আছে। কোনো
মানুষ বাঁচার চেষ্টা করলে যেমন অন্যের
হাত চেপে ধরে, সেই রকম অনেক দাগ
আছে।’

বক্তব্য বনাম বাস্তবতা
ওই বাসার তত্ত্বাবধায়ক ও তার স্ত্রীর
ভাষ্য, ইতির স্বামী ভোর সাড়ে ৪টায়
তাদের কাছে গিয়ে দরজা খোলার
অনুরোধ করেছেন। কিন্তু ইতির পাশের
কক্ষের বাসিন্দা লাকীর দাবি, ৫টায়
ইতির স্বামীর ঘুম ভেঙে যায়। পরে তিনি
(স্বামী) ইতির ঝুলন্ত লাশ দেখতে পান।
লাকীর ওই বক্তব্য সত্য ধরলে তত্ত্বাবধায়ক
ও তার স্ত্রীর কথা মিথ্যা হয়। আবার
তত্ত্বাবধায়কের কথা সত্য ধরলে লাকীর
বক্তব্য অসত্য।

ইতির শরীরে বেশ কিছু আঘাতের চিহ্ন
ছিল। আত্মহত্যা করলে স্বাভাবিক
কারণেই এত আঘাত থাকার কথা নয়। স্পষ্ট
বড় ক্ষত দেখে মনে হয় যে, এগুলো
আঘাতের।

পুলিশের ভাষ্য
এই বিষয়ে জানতে চাইলে মামলার
তদন্তকারী কর্মকর্তা ও মিরপুর মডেল
থানার উপপরিদর্শক (এসআই) নুরুজ্জামান
প্রিয়.কমকে বলেন, ‘এটা হত্যা নয়,
আত্মহত্যা। কারণ আমাদের হাতে লাশের
ময়নাতদন্ত রিপোর্ট এসেছে। সেই রিপোর্ট
অনুযায়ী, এটা পুরোপুরি আত্মহত্যা।’
এই ঘটনার পরে গ্রেফতার হওয়া ইতির
স্বামী কেরানীগঞ্জে অবস্থিত ঢাকা
কেন্দ্রীয় কারাগারে আছেন বলেও
জানান পুলিশের এই কর্মকর্তা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

উপদেষ্টা মন্ডলীঃমোঃ দেলোয়ার হোসেন খাঁন(হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ট্রাস্ট অব বাংলাদেশ,প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান)
ডঃ দিলিপ কুমার দাস চৌঃ ( অ্যাডভোকেট,সুপ্রিম কোর্ট ঢাকা)
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতিঃ অ্যাডভোকেট সাজ্জাদুর রহমান চৌধুরী ।।আইন সম্পাদকঃ অ্যাডভোকেট আবু সালেহ চৌধুরী।।
সম্পাদক ও প্রকাশক: মো: আজির উদ্দিন (সেলিম)
নির্বাহী সম্পাদক: দিলুয়ার হোসেন।। ব্যবস্থাপনা সম্পাদক: মোছাঃ হেপি বেগম ।I বার্তা সম্পাদক: মোঃ ছাদিকুর রহমান (তানভীর)
প্রধান কার্যালয় ২/২৫, ইস্টার্ণ প্লাজা,৩য়-তলা ,আম্বরখানা সিলেট-৩১০০।
+8801712-783194 dailyhumanrightsnews24@gmail.com