Wed. Nov 13th, 2019

দেবীদ্বারে বিদ্যালয়ের জমি ভূয়া দলিলে ডেইরি ফার্মের নামে

(দেবীদ্বার-কুমিল্লা)প্রতিনিধি//

কুমিল্লা দেবীদ্বার উপজেলার ‘চান্দপুর মডেল টেকনিক্যাল হাই স্কুল’র ৪ শতাংশ জমি চান্দপুর ‘রিফাত ডেইরি ফার্ম লিমিটেড’র নামে একটি প্রতারক চক্রের ভূয়া এওয়াজ (বিনিময়) দলিল সম্পাদন করার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

ওই ঘটনায় এলাকায় তোলপাড় চললেও জমিদাতা এবং গ্রহীতাদের পরিচয়ে রয়েছে ধোঁয়াশা। প্রথম পক্ষের নাম পরিচয় সঠিক থাকলেও দ্বিতীয় পক্ষের নাম পরিচয়ে রয়েছে তোগলকী কান্ড। 
বিনিময় দলিলে প্রথম পক্ষে চান্দপুর ‘রিফাত ডেইরি ফার্ম লিমিটেড’র স্বত্বাধিকার উপজেলার সুলতানপুর গ্রামের মোঃ ছায়েদ আলী মাষ্টার’র পুত্র মোঃ সাইফুল ইসলাম’র নাম ও স্বাক্ষর, ছবি থাকলেও দ্বিতীয় পক্ষে রয়েছেন ‘চান্দপুর মডেল টেকনিক্যাল হাই স্কুল’র প্রধান শিক্ষক ও বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদ’র সম্পাদক মোঃ কবির হোসেন’র নাম ও সিল সহ স্বাক্ষর কিন্তু ছবি অন্যজনের।

সবচেয়ে মজার বিষয় হলো,- এওয়াজ (বিনিময়) দলিলে দ্বিতীয় পক্ষের স্বাক্ষর একজনের এবং ছবি অন্যজনের। অর্থাৎ ‘চান্দপুর মডেল টেকনিক্যাল হাই স্কুল’র প্রধান শিক্ষক ও বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদ’র সম্পাদক মোঃ কবির হোসেন’র স্বাক্ষর থাকলেও তার ছবির স্থলে তৎসময়ে বিদ্যালয়’র দাতা সদস্য গোলাম মোস্তফা মিলন (মিলন পুলিশ)’র ছবি রয়েছে।

সম্পাদিত দলিলে মোঃ সাইফুল ইসলাম কর্তৃক নির্মিত ডেইরি ফার্ম লিমিটেড’ পরিচালনায় যাতায়তের সুবিধার্থে এবং ‘চান্দপুর মডেল টেকনিক্যাল হাই স্কুল’র নতুন ভবন নির্মাণের সুবিধার্থে এওয়াজ দলিলের মূল উদ্দেশ্য উল্লেখ করা হয়েছে।

এছাড়া ২০১৪ ইং সনের ৩০ অক্টোবর ‘চান্দপুর মডেল টেকনিক্যাল হাই স্কুল’র কার্যকরী কমিটির সভায় ৯ নং অধিবেশনের সিদ্ধান্ত মোতাবেক প্রতিষ্ঠানের পক্ষে প্রধান শিক্ষককে নি¤œ তফসীল বর্নিত ভূমি বিনিময় করার ক্ষমতা প্রাপ্ত হয়েই ওই এওয়াজ দলিল সম্পাদন করা হয়। পক্ষান্তরে ২০১৪ ইং সনের ৩০ অক্টোবর ‘চান্দপুর মডেল টেকনিক্যাল হাই স্কুল’র কার্যকরী কমিটির ৯ নং অধিবেশনের কোন অস্তিত্বই বিদ্যালয়ে নেই। এমনকি ওই দলিল গ্রহীতা সাইফুল ইসলাম তার ‘রিফাত ডেইরি ফার্ম লিমিটেড’র নামে ব্যাংক ঋণের আবেদন করতেই বিপুল অর্থের বিনিময়ে একটি চক্রের সহযোগীতায় জমিটা নিজ নামে করিয়ে নিয়েছেন। তিনি এ বিষয়ে পরে কথা বলবেন বলে সেল ফোনটি (০১৮৩৯৯৪০৮৫০) বন্ধ করে আর কোন যোগাযোগ করেননি এবং যোগাযোগের সুযোগ দেননি।

জানা যায় প্রথম পক্ষ চান্দপুর মৌজার এস.এ-১৪৮, বি.এস নং- ৫৩, খতিয়ান নং- এস.এ- ৭, বি.এস বুজারাত-২ ডি.পি’র ৬নং খতিয়ানভূক্ত, -ক)- দাগনং-এস.এ- ৩৫৪, বিএস- ৭৩৯ দাগে নাল’র ৫৭ শতক ভূমির অন্দরে পশ্চিমাংশে এওয়াজপ্রাপ্ত ২শতক ভূমি এবং (খ) এস.এ ৩৫৪, বি.এস- ৭১৪ দাগে নাল ১৪ শতক অন্দরে পশ্চিমাংশে এওয়াজ প্রাপ্ত ২ শতাংশ সহ মোট ৪শতাংশ ভূমি ৮৫ হাজার টাকা মূল্য নির্ধারনে এবং দ্বিতীয় পক্ষ চান্দপুর মৌজার এস.এ-১৪৮, বি.এস নং- ৫৩, খতিয়ান নং- এস.এ- ৭৬, বি.এস- ডি.পি’র ৫৮৬ নং খতিয়ানভূক্ত ক)- দাগ নং-এস.এ- ৩৯০- ৩৯২, বিএস- ৭৭২ দাগে নাল’র ২৬ শতক ভূমির অন্দরে দক্ষিনাংশে এওয়াজ প্রাপ্ত ৪ শতাংশ ভূমি ৮৫ হাজার টাকা মূল্য নির্ধারনে গত ০৫/১১/২০১৪ ইং দেবীদ্বার সাবরেজিষ্টার’র কার্যালয়ে সাবরেজিষ্টার অমৃতলাল মজুমদারের স্বাক্ষরে উক্ত ৯৬২১ নং দলিল সম্পাদন করা হয়।

উক্ত এওয়াজ দলিল সম্পাদনে দলিল লিখক ছিলেন উপজেলার খয়রাবাদ গ্রামের রুহুল আমিন মুহুরী এবং ষ্ট্যাম্প সংগ্রহ করা হয় ষ্ট্যাম্প বিক্রেতা দেবীদ্বারের মোঃ হিরন মোল্লা থেকে। দলিলে স্বাক্ষী ও সনাক্তকারী ছিলেন,- দেবীদ্বার উপজেলার কুরুইন গ্রামের আলী আহমেদের পুত্র আব্দুল গফুর, ছেপাড়া গ্রামের মৃত: আব্দুল কাদের মাষ্টারের পুত্র মোঃ কাইয়ুম সরকার।

‘চান্দপুর মডেল টেকনিক্যাল হাই স্কুল’র প্রধান শিক্ষক মোঃ কবির হোসেন বলেন, আমি এ বিষয়ে কিছুদিন পূর্বে অবগত হয়েছি, দলিলও দেখেছি, দলিলে আমার নামে স্বাক্ষর এবং নামছাড়া সিল রয়েছে। আমার ছবির স্থলে তৎকালীন সময়ে বিদ্যালয়’র দাতা সদস্য গোলাম মোস্তফা মিলন (মিলন পুলিশ) নিজে প্রধান শিক্ষক সেজে তার ছবি যুক্ত করেছে।

তিনি আরো জানান তৎকালীন সময়ে বিদ্যালয়’র দাতা সদস্য গোলাম মোস্তফা মিলন (মিলন পুলিশ), জাফরগঞ্জ মাজেদা আহসান মূন্সী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মোঃ মুকবল হোসেন, বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদের সাবেক সদস্য মোঃ হারুর-অর-রশিদ’র সহযোগীতায় মোঃ সাইফুল ইসলাম কর্তৃক নির্মিত ডেইরি ফার্ম লিমিটেড’র নামে ভূয়া দলিল সম্পাদনে বিদ্যলয়ের ওই জমি এওয়াজ করা হয়েছে। অত্র বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদের সাবেক সদস্য মোঃ হারুর-অর-রশিদকে প্রথমে ২০হাজার টাকা দিয়ে জমিটা আনতে চেষ্টা করে সাইফুল ব্যর্থ হয়, পরে তৎকালীন সময়ে বিদ্যালয়’র দাতা সদস্য গোলাম মোস্তফা মিলন (মিলন পুলিশ) ও জাফরগঞ্জ মাজেদা আহসান মূন্সী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মোঃ মুকবল হোসেনকে ৭০ হাজার টাকা দিয়ে এ কাজটি করিয়েছেন। এর পেছনে বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদের সাবেক সভাপতি বদিউল আলম সরকার জড়িত। এছাড়াও বিদ্যালয়ের প্রায় ৫/৬শতাংশ জমি সাবেক দাতা সদস্য গোলাম মোস্তফা মিলন (মিলন পুলিশ) ও তার বংশধরেরা দখল করে আছে।

বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদের সাবেক সভাপতি বদিউল আলম সরকার’র সাথে যোগাযোগ করলে তিনি জানান, উক্ত বিদ্যালয়টি ১৯৮৪ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে অত্যন্ত সুনামের সাথে এগিয়ে যাচ্ছে, বর্তমানে বিদ্যালয়টিতে ৬৩৭ শিক্ষার্থী ও ১৮ শিক্ষক- কর্মচারীর জনবল রয়েছে। আমি নিজেও সাড়ে ৮ বছর পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি ছিলাম। এসময়ে আমার ভাই চান্দপুর গঙ্গামন্ডল আদর্শ কলেজ প্রতিষ্ঠা করেন। তখন উক্ত কলেজের পাশের ‘চান্দপুর মডেল টেকনিক্যাল হাই স্কুল’র জমি কলেজ’র নামে বিক্রি করার কথা বললেও তা আমি করিনি। পরে যখন শোনলাম আমার দায়িত্বকালীন সময়ে অর্থাৎ ২০১৪ ইং সনের ৩০ অক্টোবর ‘চান্দপুর মডেল টেকনিক্যাল হাই স্কুল’র কার্যকরী কমিটির সভায় ৯নং অধিবেশনের সিদ্ধান্ত মোতাবেক প্রতিষ্ঠানের পক্ষে প্রধান শিক্ষককে ভূমি ক্রয়-বিক্রয়ের ক্ষমতা দেয়া হয়েছে, তখন দলিলের নকল উঠিয়ে তার সত্যতা যাচাইয়ে সমস্ত রেজুলেশন পাঠ করে ওই অধিবেশনের কোন অস্তিত্ব খুঁজে পাইনি। প্রধান শিক্ষক উদ্দেশ্য প্রণোদীতভাবে আমাকে জড়ানোর চেষ্টা চালাচ্ছে। গত ঈদের সময় শিক্ষক কর্মচারীদের বেতন ভাতার বিল ভাউচারে আমার স্বক্ষর নিতে আসেনি, অন্যলোক দিয়ে কাগজ পাঠালে আমি বলে দেই জে.এস.সি পরীক্ষার ১৪৬ জন শিক্ষার্থীর কাছ থেকে ৫ শত টাকা করে আদায় করা সমস্ত টাকা বিদ্যালয়ের একাউন্টে জমা দিলেই আমি স্বাক্ষর দেব, তিনি ওই টাকা আত্মসাৎ করার কারণে আমার নিকট বিল ভাউচারের স্বাক্ষরের জন্য আসেননি। আমি ভূয়া দলিল সম্পাদনে জড়িত সকল অপরাধীদের তদন্ত স্বাপেক্ষে আইনের আওতায় আনার জোর দাবী জানাচ্ছি।

জাফরগঞ্জ মাজেদা আহসান মূন্সী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মোঃ মুকবল হোসেন বলেন, আমি ২৬ বছর ধরে শিক্ষকতা করে আসছি, ওই বিদ্যালয়ের কমিটি বা অন্যকোন কাজে জড়িত না থাকলেও আমাকে হেয় ও ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করার জন্য একটি মহল উদ্দেশ্য প্রণোদীতভাবে আমার বিরুদ্ধে এ অপপ্রচার চালাচ্ছে।

অত্র বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদের সাবেক সদস্য মোঃ হারুর-অর-রশিদ বলেন, সাইফুল আমাকে ২০ হাজার টাকা দিয়েছিলেন সত্য, এ অন্যায় কাজটি আমি করতে পারবনা বলেই টাকা ফেরত দিয়ে দেই, পরে শোনেছি বিদ্যালয়’র সাবেক দাতা সদস্য গোলাম মোস্তফা মিলন (মিলন পুলিশ) ও মুকবল মাষ্টার ৭০ হাজার টাকা নিয়ে ওই ভূঁয়া দলিল করেছেন।

তৎকালীন সময়ে বিদ্যালয়’র দাতা সদস্য গোলাম মোস্তফা মিলন (মিলন পুলিশ) সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আমাদের পরিবারের অনেক ত্যাগ আছে। বিদ্যালয়টি যখন গোমতী নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যায়, তখন গ্রাম বাসীর অনুরোধে আমার ২৬ শতক এবং পরিবারের অন্যান্যদের ৩৪ শতক সহ ৬০ শতাংশ জমি বিদ্যালয়ের নামে দান করতে হয়েছে। আমরা সবাই দরিদ্র, এখন মাথাগুঁজার ঠাই নেই। আমার .৭৫ (তিন পোয়া) শতক জমি আছে, তার সাথে খাস জমির উপর বসবাস করছি। তার পরও সব অনিয়মের দায়ভার আমার উপর। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত হলেই আসল সত্য বেড়িয়ে আসবে।

সুলতান আহমেদ’র ছেলে বাবুল মিয়া বিদ্যালয়ের জমি দখল করার সত্য স্বীকার করে বলেন, আমাদের পরিবারের সবার কাছ থেকে ৬০ শতক জমি বিদ্যালয়কে শতকে ২ হাজার টাকা করে দিয়েছেন। কিন্তু আমার বাবা কোন জমি দান বা বিক্রয় করেননি। তার পরও বিদ্যালয়ের জায়গায় আমরা থাকতে হচ্ছে। এসব কিছু অনিয়মের মূলে গোলাম মোস্তফা মিলন পুলিশ। বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ মানবিক কারণে আমাদের থাকার সুযোগ দিয়েছেন। যে কোন মূহুর্তে আমাদের উচ্ছেদ করতে পারে। সে আশংকায় সব সময় আতঙ্কে থাকতে হয়।

‘চান্দপুর মডেল টেকনিক্যাল হাই স্কুল’র বর্তমান সভাপতি আব্দুস সালাম ভূঁইয়া বলেন, ৪জন লোক,- সাবেক সভাপতি বদিউল আলম সরকার, সাবেক দাতা সদস্য গোলাম মোস্তফা মিলন, মুকবল মাষ্টার এবং সাবেক বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদ সদস্য হারুন- অর-রশিদ এঘটনার জন্য দায়ি। বিদ্যালয়টি বর্তমান জায়গায় করার কথা ছিলনা। গঙ্গামন্ডল কলেজের পাশে বিদ্যালয়ের নামে দানে পাওয়া সাড়ে তিন একর জমি রয়েছে। ওখানে বিদ্যালয়টি স্থানান্তরিত না করে বর্তমানে চিপা গলিতে বিদ্যালয়টি নির্মাণের উদ্দেশ্য কি ছিল ? যেখানে জমি দখল করে আছেন পার্শ্ববর্তী বাড়ির লোকজন, অশিক্ষিত ওই পরিবারের লোকজন সারাক্ষণ নানা বিষয়ে পারিবারিক বিরোধ, গালমন্দ, ঝগড়া-ফাসাদে লেগে থাকে আর একই সাথে বিদ্যালয়ের কোমলমতি শিক্ষার্থীরা ওদের শিক্ষায় শিক্ষিত হবে নাকি শিক্ষকের পড়ায় মনোনিবেশ হবে, সে প্রশ্ন এখন সবার কাছে ? এঘটনার প্রতিবাদে আগামী  ৩১ আগষ্ট শনিবার বিকেল ৩টায় বিদ্যালয় মাঠে পুরো এলাকার অভিভাবক সমাবেশ ডেকেছি।

এ ব্যাপারে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এ,কে,এম আলী জিন্নাহ ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, আইন বহির্ভূত যে কোন কাজই অপরাধ। এ ঘটনা সুষ্ঠ তদন্ত স্বাপেক্ষে অপরাধিদের আইনের আওতায় আনা হবে।

এব্যপারে দেবীদ্বার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রবীন্দ্র চাকমা বলেন, এ বিষয়ে পূর্বাগত ছিলাম না। বিদ্যালয়ের জমি ভূয়া দাতা সেজে দলিল সম্পাদন করা হলে, অবশ্যই তা তদন্ত স্বাপেক্ষে অপরাধীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে। যেহেতু দলিল দাতা উপস্থিত থেকে দলিল সম্পাদন করার নিয়ম, সেক্ষেত্রে তার আইডিকার্ড, বিদ্যালয়ের রেজুলেশন সহ বিভিন্ন প্রমান পত্র নিয়েই সাবরেজিষ্টার দলিলে স্বাক্ষর করেছেন। এখানে নাম স্বাক্ষর প্রধান শিক্ষকের, আর ছবি- দাতা সদস্যের হয়ে থাকলে প্রশ্নবিদ্ধ। এঅপরাধ সংগঠনে দলিল লিখক থেকে সাবরেজিষ্ট্রি অফিসের লোকজন জড়িত থাকতে পারে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

উপদেষ্টা মন্ডলীঃমোঃ দেলোয়ার হোসেন খাঁন(হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ট্রাস্ট অব বাংলাদেশ,প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান)
ডঃ দিলিপ কুমার দাস চৌঃ ( অ্যাডভোকেট,সুপ্রিম কোর্ট ঢাকা)
রজত কান্তি চক্রবর্তী সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতিঃ অ্যাডভোকেট সাজ্জাদুর রহমান চৌধুরী ।।আইন সম্পাদকঃ অ্যাডভোকেট আবু সালেহ চৌধুরী।।
সম্পাদক ও প্রকাশক: মো: আজির উদ্দিন (সেলিম)
নির্বাহী সম্পাদক: মোস্তাক আহমদ।। ব্যবস্থাপনা সম্পাদক: মোঃ দিলোয়ার হোসেন ।I মহিলা সম্পাদক: মোছাঃ হেপি বেগম ।I বার্তা সম্পাদক: .........................
প্রধান কার্যালয় ২/২৫, ইস্টার্ণ প্লাজা,৩য়-তলা ,আম্বরখানা সিলেট-৩১০০।
+8801712-783194 ... 01304006014 dailyhumanrightsnews24@gmail.com
JS security