Thu. Oct 29th, 2020

বাগেরহাটে জমজমাট শামুকের হাট, নিধন নিরোধ আইনের প্রয়োগ নেই

বাগেরহাট রামপাল উপজেলা প্রতিনিধি :ইমরানুর রহমান।
বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার ফলতিতা বাজারে জমে উঠেছে শামুকের হাট। প্রতিদিন গড়ে দেড় হাজার বস্তা শামুক বিক্রি হয় এ হাটে। সে হিসেবে দিনে গড় আড়াই থেক তিন লক্ষ শামুক বিক্রি হয় এখানে। সিলেট, পোপালগঞ্জ, মাদারীপুর, টেকেরহাট, ফরিদপুর, পিরোজপুর, ভান্ডারিয়া থেকে শাসুক আসে। প্রতি বস্তা (ইউরিয়া সারের বস্তা) শামুকের খোলস থেক ৩০ থেকে ৩৫ কেজি মাংস হয়। বস্তা প্রতি ঘের মালিকের খরচ পরে গড়ে ৭০০-৮০০ টাকা।মানসম্মত চিংড়ি খাদ্যের অভাবে শামুক কিনতে বাধ্য হচ্ছেন ঘের মালিকরা, জানান ঘের মালিক প্রনব বিশ্বাস। দিন দিন বাজার বৃদ্ধি পাওয়ায় বিভিন্ন এলাকায় বানিজ্যিকভাবে শামুক চাষ হচ্ছে। সে সমস্ত শামুক ফলতিতার এ হাটে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া খাল-বিল থেকে শামুক সংগ্রহ করে তা এখানে বিক্রি করা হয়। দক্ষিণাঞ্চলের সবচেয়ে বড় চিংড়ি ও শামুকের হাট এটি।চিংড়ি ঘেরে মাছের খাদ্য হিসেবে শামুকের ব্যবহার ১৯৯১ সালের দিকে শুরু হলেও তা জনপ্রিয়তা লাভ করে ১৯৯৮-৯৯ সালের দিকে। এর পর থেকে নির্বিচারে চলছে শামুক নিধন। যেমন এক সময় বিদেশে বিক্রির উদ্দেশ্য ব্যাঙ নিধনের শুরু হলে পোকামাকড়ের উপদ্রব বেড়ে গিয়েছিলো। ফলে বাধ্য হয়ে ব্যাঙ নিধন বন্ধ করা হয়েছিলো। তেমনি প্রকৃতিতে বিরাজমান খাল-বিলের শামুক নিধন ইকো-সিস্টেমকে হুমকীর মুখে ফেলবে।শামুককে বলা হয় প্রাকৃতিক ফিল্টার। এরা প্রকৃতি থেকে নানা রকম রোগ-জীবানু ও দুষিত পদার্থ খেয়ে পরিবেশকে রাখে পরিস্কার পরিচ্ছন্ন। তাই প্রকৃতি থেকে নির্বিচারে শামুক আহরণ পরিবেশের জন্য দারুণ ক্ষতিকর।২০১২ বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা আইনে শামুককে বণ্যপ্রাণী হিসাবে গণ্য করা হলেও এই আইন অমান্য করে চলছে শামুক নিধন। শামুক সংগ্রহরের অপরাধে জেলসহ অর্থদণ্ডের বিধান থাকলেও আইন প্রয়োগ না হওয়ার কারণে থামছে না শামুক নিধন।কৃষি ও মৎস্য বিভাগও এ ব্যাপারে যথাযথ পদক্ষেপ নিচ্ছে না বলে জানা যায়। অথচ শামুক এ দুই বিভাগের জন্যই একটি উল্লেখযোগ্য প্রাণী। পরিবেশ সহায়ক এ শামুকের অপরিকল্পিত ও অবাধে নিধন প্রতিরোধ না করলে শিগগিরই প্রাকৃতিক পরিবেশ ও ফসল উৎপাদন মারাত্মক ক্ষতির সম্মুখীন হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। শামুকের অবাধ বিচরণ ক্ষেত্র তৈরি ও সংরক্ষণের জন্য এখনই পদক্ষেপ না নিলে এটি বিলুপ্ত হয়ে যাবে। দেশের অর্থনীতিতে বিপুল বৈদেশিক মূদ্রা আসে চিংড়ি থেকে। এ শিল্পকে টিকিয়ে রাখতে মানসম্মত চিংড়ি খাদ্যের পাশাপাশি আধুনিক পদ্ধতিতে শামুক চাষ বৃদ্ধির তাগিদ দিয়েছেন অর্থনীতিবিদরা

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

উপদেষ্টা মন্ডলীঃমোঃ দেলোয়ার হোসেন খাঁন(হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ট্রাস্ট অব বাংলাদেশ,প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান)
ডঃ দিলিপ কুমার দাস চৌঃ ( অ্যাডভোকেট,সুপ্রিম কোর্ট ঢাকা)
রজত কান্তি চক্রবর্তী সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতিঃ অ্যাডভোকেট সাজ্জাদুর রহমান চৌধুরী ।।আইন সম্পাদকঃ অ্যাডভোকেট আবু সালেহ চৌধুরী।।
সম্পাদক ও প্রকাশক: মো: আজির উদ্দিন (সেলিম)
নির্বাহী সম্পাদক: মোস্তাক আহমদ।। ব্যবস্থাপনা সম্পাদক: মোঃ দিলোয়ার হোসেন ।I মহিলা সম্পাদক: মোছাঃ হেপি বেগম ।I বার্তা সম্পাদক: .........................
প্রধান কার্যালয় ২/২৫, ইস্টার্ণ প্লাজা,৩য়-তলা ,আম্বরখানা সিলেট-৩১০০।
+8801712-783194 ... 01304006014 dailyhumanrightsnews24@gmail.com
JS security