Sun. Oct 25th, 2020

সারা দেশে ধর্ষকের শাস্তির দাবিতে পঞ্চগড়ের রাস্তায় ছাত্রলীগ

উমর ফারুক পঞ্চগড় জেলা প্রতিনিধি :
সারা দেশের সব ধর্ষণ-নিপীড়নের ঘটনায় জড়িতদের আইনের আওতায় এনে দ্রুত বিচার এবং নারীর প্রতি সহিংসতার স্থায়ী সমাধানের দাবিতে ‘আলোক-প্রজ্জ্বালন’ কর্মসূচি পালন করেছে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ পঞ্চগড় জেলা শাখা । রবিবার (১১ অক্টোবর ) সন্ধ্যায় পঞ্চগড় শেরে বাংলা পার্কে মোমবাতি জালিয়ে এই কর্মসূচি পালন করেছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের ছাত্র সংগঠনটি। ‘আলোক- প্রজ্জ্বালন থেকে একটি ধর্ষণবিরোধী মিছিল নিয়ে পঞ্চগড় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে গিয়ে কর্মসূচি শেষ হয়।
কর্মসূচিতে পঞ্চগড় জেলা শাখার  ছাত্রলীগের সংগঠনিক সম্পাদক আবু মো: নোমান হাসান 
বলেন, “আমরা চাই, ধর্ষককে দ্রুত আইনের আওতায় এনে সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করা হোক। আমরা জানি, ধর্ষণের বিচারের ক্ষেত্রে কিছুটা আইনি জটিলতা আছে, আইনি দীর্ঘসূত্রতার কারণে অনেক সময় অপরাধী পার পেয়ে যায়। কিন্তু আমরা বার বারই ছাত্রলীগ দাবি জানিয়েছি, যারা ধর্ষক বা ধর্ষণের সাথে সংশ্লিষ্ট তাদের যেন দ্রুত আইনের আওতায় এনে সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড নিশ্চিত করা হয়।এর ফলে যারা এই ধরনের মন-মানসিকতা লালন করে, তারা ভয় পাবে। একইসাথে ধর্ষককে যাতে সমাজের নিকৃষ্ট প্রাণি হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। পারিবারিকভাবে হোক বা সামাজিকভাবে হোক আমরা যদি তাদের বয়কট করতে পারি, তাহলে সমাজে ধর্ষণের ঘটনা কমে আসবে। প্রয়োজনে আইন সংশোধন করে ধর্ষকের দ্রুত শাস্তির দাবি জানিয়ে  বলেন, “বর্তমান যে আইন আছে, তা যদি সংশোধনের দরকার হয় বা শাস্তি বাড়ানোর দরকার হয়, তাহলে তা করেই অপরাধীকে দ্রুত বিচারের আওতায় নিয়ে আসতে হবে। আমরা বাংলাদেশ ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের  নির্দেশনা দিয়েছি, আমাদের শিক্ষার্থী বোনরা বা মা-বোনেরা যদি কোনোভাবে রাস্তায় নিপীড়ন বা  ইভটিজিংয়ের শিকার হয় তাহলে তারা যেন আমাদের জানায়। আমরা সেই ধর্ষক রা ইভটিজারদের ধরে আমারা আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হাতে তুলে দেব। ধর্ষণের বিভিন্ন ঘটনায় বার বারই ছাত্রলীগের নাম আসছে, অবশ্যই আমাদের দায় আছে। আমরা বাংলাদেশের তরুণ প্রজন্ম, ছাত্র সমাজের প্রতিনিধিত্ব করি। ছাত্রলীগ বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ ছাত্র সংগঠন। ছাত্রলীগকে ব্যব্হার করে কেউ অপকর্ম করে পার পাবে না। সংগঠনের বাইরে গিয়ে যারা ব্যক্তিগতভাবে সংগঠনবিরোধী কাজ করে, তাদেরকে আমাদের সংগঠনের হিসেবে প্রচার করা, এটা সংগঠনের উপরে একটা দায় বর্তানোর মনোভাব বলে আমি মনে করি। এই ব্যাপারটাকে কেন্দ্র করে কেউ কেউ রাজনীতিকে ঘোলা করার পাঁয়তারা করে থাকে। আমরা ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীদের নির্দেশনা দিয়েছি, বাংলাদেশের সব জায়গায় সোচ্চার থাকতে যাতে তাদের উপস্থিতিতে কোথাও ধর্ষণের ঘটনা না ঘটতে পারে। তিনি বলেন, “কারও উপর দায় বা ধর্ষণে যখন রাজনৈতিক প্রলেপ দেওয়া হয় তখন কিন্তু ধর্ষকের কাছ থেকে মানুষের দৃষ্টিভঙ্গি অন্যদিকে চলে যায়। সেজন্য সেই ধর্ষকের বিচার হয় না। কিছু দিন পর মানুষ তা ভুলে যায়। সুতরাং ধর্ষণকে প্রতিরোধ করতে হলে আমাদের নৈতিক পরিবর্তন আনতে হবে। মানুষকে সামাজিকভাবে সচেতন করতে হবে। যারা লাঞ্ছিত হচ্ছেন তাদের পক্ষে দাঁড়াতে হবে এবং খুবই দ্রুত সময়ে অপরাধীদের ধরার ব্যবস্থা করতে হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

উপদেষ্টা মন্ডলীঃমোঃ দেলোয়ার হোসেন খাঁন(হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ট্রাস্ট অব বাংলাদেশ,প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান)
ডঃ দিলিপ কুমার দাস চৌঃ ( অ্যাডভোকেট,সুপ্রিম কোর্ট ঢাকা)
রজত কান্তি চক্রবর্তী সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতিঃ অ্যাডভোকেট সাজ্জাদুর রহমান চৌধুরী ।।আইন সম্পাদকঃ অ্যাডভোকেট আবু সালেহ চৌধুরী।।
সম্পাদক ও প্রকাশক: মো: আজির উদ্দিন (সেলিম)
নির্বাহী সম্পাদক: মোস্তাক আহমদ।। ব্যবস্থাপনা সম্পাদক: মোঃ দিলোয়ার হোসেন ।I মহিলা সম্পাদক: মোছাঃ হেপি বেগম ।I বার্তা সম্পাদক: .........................
প্রধান কার্যালয় ২/২৫, ইস্টার্ণ প্লাজা,৩য়-তলা ,আম্বরখানা সিলেট-৩১০০।
+8801712-783194 ... 01304006014 dailyhumanrightsnews24@gmail.com
JS security